আজ সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মৌলভীবাজারে রবির মামলায় ডিস্ট্রিবিউটরকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত মে ২৪, ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজারে রবির মামলায় ডিস্ট্রিবিউটরকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা পিএলসির দায়ের করা চেক ডিজঅনার মামলায় আব্দুল মবিন জারিন নামে এক ডিস্ট্রিবিউটরকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে আদালত তাকে চেকে উল্লেখিত ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৪ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। গত বুধবার মৌলভীবাজারের যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলাটির রায় নিয়ে রবির পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদ বলেন, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় ২০২৪ সালের ১৭ এপ্রিল করা এই চেক ডিজঅনার মামলায় বাদী-বিবাদী পক্ষের শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আসামিকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আদালত জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে। তবে তার আগে আসামি জামিন নিতে গেলে চেকে উল্লিখিত টাকার ৫০ শতাংশ ব্যাংকে জমা দিয়ে জামিন নিতে হবে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ১ মে রবি আজিয়াটার সঙ্গে আব্দুল মবিন জারিনের মালিকানাধীন জে এস এন্টারপ্রাইসের একটি ডিস্ট্রিবিউশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি রবির ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে।

ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রবি কর্তৃপক্ষ আসামিকে ২১ লাখ ৩২ হাজার ৫১৪ টাকা মূল্যের বিশেষ অতিরিক্ত সিম সরবরাহ করে। তবে নির্ধারিত সময়ে ওই সিমের মূল্য পরিশোধ না করায় প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার বকেয়া পরিশোধের তাগাদা দেয়।

অভিযোগে বলা হয়, বকেয়া পরিশোধ না করেই ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ আসামি কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন, যা চুক্তির পরিপন্থী। পরবর্তীতে একই বছরের ৭ মে রবি কর্তৃপক্ষ চুক্তি বাতিল করে এবং বকেয়ার আংশিক সমন্বয়ের জন্য ১০ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি নগদায়ন করে।

এরপর আসামি কয়েক দফায় মোট ৯২ হাজার ৫৫০ টাকা পরিশোধ করলেও ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৪ টাকা বকেয়া থেকে যায়। বকেয়া পরিশোধের জন্য তিনি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের একটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে তা ডিজঅনার হয়।

পরে ২৬ নভেম্বর আইনগত নোটিশ পাঠানো হলেও আসামি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করেননি। এ ঘটনায় নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় ২০২৪ সালের ১৭ এপ্রিল মামলা দায়ের করা হয়।

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১