সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত-সমালোচিত অভিনেত্রী পরিমনীকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সদস্যরা।
বাসায় মিলেছে ভয়ঙ্কর রকমের বিদেশি মদ।
বুধবার বিকেল ৪টার দিকে পরিমনীর বনানীর বাসায় অভিযান শুরু হয়।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরীমনির বাসা থেকে বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ, ইয়াবার পাশাপাশি ভয়ঙ্কর মাদক এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডায়েথিলামাইড) এবং আইসও (ক্রিস্টাল মেথ) পাওয়া গেছে।
দীর্ঘ অভিযানের পর রাত ৮টার দিকে পরীমনিকে আটক দেখানো হয়। পরে র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরীমনির বাসার গেটের বাইরে র্যাবের সদস্যরা অবস্থান করছেন। তার বাসাটি ঘিরে রেখেছেন। প্রথমে বাসার গেট খুলতে চাননি পরীমনি। পরে র্যাব সদস্যদের পরিচয় জানতে পেরে বাসার গেট খুলে দেন তিনি। এখন র্যাব সদস্যরা তার বাসার ভেতরে অবস্থান করছেন।
এর আগে ফেসবুক লাইভে এসে পরীমনি বলেন, ‘কারা যেন আমার বাসায় ঢোকার চেষ্টা করছে। কেউ কালো কাপড় পরে আছেন, কেউ রঙিন কাপড় পরে আছেন। এরা কারা ভাই? আমি লাইভ কাটছি না।’
পরীমনি বলেন, ‘পুলিশ হলে তো দরজা খুলেই দেব। কিন্তু তারা তো পরিচয় দিচ্ছে না। মেরে ফেললে সবার সামনে মেরে ফেলে যাক। আমি লাইভ কাটব না। সবাই দেখুক। সবাইকে দেখায় দেব, এরা কী কী করে।’
এ সময় পরীর বাসার দরজা ধাক্কার শব্দ পাওয়া যায়। পরীমনি বলেন, ‘ভাই আপনারা কিছু দেখতেছেন না, কিছু বলতেছেন না। আমি যে কী পরিমাণ সিক। তিন দিন ধরে বিছানা থেকে উঠতে পারছি না। আমার পরিচিতরা কী আসবেন? একটু দেখবেন, এরা কারা। লিটারেলি আমার দরজা ভাঙচুর করতেসে।’
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন দুপুরে সাভার থানায় নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছয় জনের নামে মামলা দায়ের করেন নায়িকা পরীমণি। মামলায় ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে প্রধান আসামি করা হয়। এরপর বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজে পরী বিতর্কিত হয়ে ওঠেন। আসামিরা বর্তমানে জামিনে বাইরে আছেন।