ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী ২০২৯ সালের জুনের মধ্যেই এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রকল্পটি বেশ আগে নেওয়া হলেও বিগত সাড়ে চার বছরে এর অগ্রগতি প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, গত ছয় মাসে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং বর্তমানে প্রায় ৫৬ শতাংশ অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বর্তমানে প্রকল্পের সার্বিক ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশ।
মোট ১৩টি প্যাকেজে এই মহাসড়কের উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, এর মধ্যে আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক হলেও পাঁচটি প্যাকেজের অগ্রগতি এখনো আশানুরূপ নয়। যেসব এলাকায় কাজের গতি কম, সেখানে গতি বাড়ানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় কাজের কারণে জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় প্রকল্পের অগ্রগতি কম থাকায় এখন একসঙ্গে বিভিন্ন কাজ করতে হচ্ছে, যার ফলে সড়ক ব্যবহারকারীদের সাময়িক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করার ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ সম্পন্ন হলে এই রুটে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে কী ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আপনার মনে হয়?