হাফিজুল ইসলাম হাফিজ। দৈনিক শ্যামল সিলেট’র নিবেদিত প্রাণ কর্মী। টগবগে এক যুবক। কাজ করেন বিজ্ঞাপন শাখায়। হাফিজুলকে এখন ঘিরে ধরেছে কঠিন সময়ে। শরীরে বাসা বেধেছে দুরারোগ্য ব্যাধী।
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা হাফিজুল এখনো বাঁচার স্বপ্ন দেখেন হৃদয়বানদের চোখে। অবুঝ দুই সন্তানের জনক হাফিজুলের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহণ পরিবারের পক্ষেও দুস্কর।
হাফিজুলের এই দু:সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন শ্যামল সিলেট’র সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিকরা।অসুস্থ প্রিয় মানুষটির চিকিৎসা সহায়তার লক্ষ্যে সোমবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পত্রিকা কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় হাফিজুল ইসলামের চিকিৎসার্থে সহায়তা তহবিল গঠণ, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থাপনার দেখভাল করার বিষয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
সভায় হাফিজুলের উন্নত চিকিৎসার্থে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত শ্যামল সিলেট’র সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিক, শুভাকাঙ্খি ও হৃদয়বানদের সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানানো হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-শ্যামল সিলেট’র সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবদুল মুকিত, দৈনিক সমকালের ব্যুরো প্রধান চয়ন চৌধুরী, সিনিয়র রিপোর্টার মুকিত রহমানী, মানবজমিন ও ইটিভি’র ব্যুরো প্রধান ওয়েছ খছরু, দেশ রূপান্তর’র ব্যুরো প্রধান ও দৈনিক উত্তর পূর্ব’র বার্তা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক উজ্জল মেহেদী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক ও সিলেট ভিউ’র সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, দৈনিক শ্যামল সিলেট’র বার্তা সম্পাদক আবুল মোহাম্মদ, দৈনিক সময়ের আলো’র সিলেট ব্যুরো প্রধান মনোয়ার জাহান চৌধুরী, বণিক বার্তা ও এনবি নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক দেবাশীষ দেবু, সারি বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল হাই আল হাদি, বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ও শ্যামল সিলেট’র চিফ রিপোর্টার মো. নাসির উদ্দিন, দৈনিক একাত্তরের কথা’র প্রধান প্রতিবেদক মিসবাহ উদ্দিন আহমদ এবং মফস্বল সম্পাদক আনন্দ সরকার, দৈনিক যুগভেরী’র ফটো সাংবাদিক রাহুল তালুকদার পাপ্পু, দৈনিক শ্যামল সিলেট’র স্টাফ রিপোর্টার আতিকুর রহমান নগরী, স্টাফ ফটোগ্রাফার মো. আজমল আলী ও রেজা রুবেল প্রমুখ।