আজ বুধবার, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে বুঙ্গার লাইনম্যান যখন ‘পুলিশ’, চাকরিরত যে থানায়

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ২, ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সিলেটে বুঙ্গার লাইনম্যান যখন ‘পুলিশ’, চাকরিরত যে থানায়

সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্য আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে চোরাচালান চক্রের সঙ্গে সখ্যতা এবং ভারতীয় অবৈধ মোটরসাইকেল কেনাবেচায় জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ৩ বছর ধরে একই থানায় কর্মরত থাকার সুবাদে তিনি এলাকায় একটি শক্তিশালী চোরাচালান সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন একই এলাকায় দায়িত্ব পালনের সুযোগে পুলিশ সদস্য আব্দুর রহিম সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন চোরাচালান কারবারির সঙ্গে গভীর সখ্যতা গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন চোরাচালান পার্টির সঙ্গে সাপ্তাহিক চুক্তিতে সীমান্ত ‘লাইন’ পরিচালনা করেন তিনি। এই কারণে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় চোরাকারবারিদের কাছে তিনি থানার ‘লাইন ম্যান’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারত থেকে অবৈধ পথে সীমান্ত পার করে আনা (বর্ডার ক্রস) মোটরসাইকেল সিলেটে এনে বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত। শুধু ব্যবসাই নয়, তিনি নিজে যে মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করছেন, সেটিও ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা বলে অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে একটি ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হচ্ছে। মোটরসাইকেলটির পেছনে ‘সিলেট-ল ১২-১৫৭১’ লেখা নম্বর প্লেট দেখা গেলেও তা আইনসম্মত উপায়ে নিবন্ধিত নয় বলে জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্যের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। চোরাচালান রোধে যেখানে পুলিশের কঠোর ভূমিকা রাখার কথা, সেখানে খোদ পুলিশ সদস্যেরই চোরাচালানের লাইন নিয়ন্ত্রণ ও ভুয়া নম্বরের অবৈধ মোটরসাইকেল ব্যবহারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর থানার পুলিশ সদস্য আব্দুর রহিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে মুঠোফোন কেটে দেন।

সূত্র: ক্রাইম সিলেট

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০