হযরত শাহজালাল-শাহপরাণসহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি, দু’টি পাতা একটি কুড়ির দেশ। আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেট।
বাংলাদেশের অন্যান্য বিভাগ থেকে ভৌগলিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।
যেই সিলেটে এসে বাবা শাহজালাল-শাহপরাণ রাহ. এর মাজার জিয়ারত করার মাধ্যমে সূচনা হয় সব দলের কার্যক্রম।
এই সিলেটেরই অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি সংসদীয় আসন হচ্ছে সিলেট-৩ তথা দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ। যেই আসনের মধ্যে রয়েছে দেশনেত্রী গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার বিয়াই’র বাড়ি আর গণতন্ত্রের বরপুত্র, তারূণ্যের অহংকার তারেক রহমানের শ্বশুরিবাড়ি।
সেই আসনেই। সেখানকার গণমানুষের নেতা বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যরিস্টার সালাম এর বাড়ি।
সিলেট আগে যেভাবে বলা বিএনপির ঘাঁটি এখনো সেই ঘাটিতে রয়েছে শহীদ জিয়ার লাখো সৈনিক।
বক্ষমান প্রবন্ধে সিলেট-৩ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে একটি আহবান, একটি চিঠি, একটি পত্র তথা যেকারণে ব্যরিস্টার সালামকে প্রয়োজন এই কথাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
১
আজ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণ এক কঠিন ও ভীতিময় সময় অতিক্রম করছে। দেশনেত্রী,গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া, স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী সরকারের কারাগারে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় দিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পথ রুদ্ধ। গুম,খুন,ধর্ষন,বিচার বহিভূত হত্যা, সমগ্র জাতিকে এক ভীতিময় পরিস্থিতিতে নিপতিত করেছে।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিকে ধ্বংসের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তাদের এই মনবাঞ্ছা পূরনের লক্ষ্যে ভোটারবিহীন অবৈধ সরকার সর্বপ্রথম জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে চায়।
স্বৈরশাসকের কারাগারে বন্দী গণতন্ত্র ও গণতন্ত্র গণতন্ত্রের মাকে মুক্ত করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
পৃথিবীর ইতিহাসে কোন ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিনা আন্দোলনে হটানো যায়নি। এ সরকারকেও যাবে না। তাই দলের সকল কেন্দ্রেীয় কর্মসূচীকে সফল করার জন্য আন্দোলন সংগ্রামে সবাইকে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো আরও একটি ভোটারবিহীন
প্রহসনের নির্বাচন করতে চায়। এই অশুভ তৎপরতাকে প্রতিহত করে দেশনেত্রীর মুক্তি এবং অবাধ ও সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচনের আন্দোলনের পাশাপাশি তৃনমূলে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অর্থবহ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। মহান জাতীয় সংসদই সিদ্ধান্ত নেয় দেশ কোন পথে চলবে। তাই একজন শিক্ষিত, সৎ ও প্রকৃত
দূরদর্শী রাজনীতিবাীদকে সংসদ নির্বাচিত করা আমাদের গুরু দায়িত্ব।
২
আগামী সংসদ নির্বচনে সিলেট-০৩ আসনে বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের সঠিক প্রার্থী নির্বাচনে আমাদের নিজেদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সৎ যোগ্য, নিষ্ঠাবান শিক্ষিত প্রার্থী পাওয়া আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাইয়ে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে। ২০ দলীয় জোটের প্রতীক বরাদ্দে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্তে যারা নেবেন তাদের সঠিক প্রার্থী বাছাইয়ে আমাদেরও সহযোগিতা করতে হবে।
আমাদের এমন একজন ব্যক্তিত্বকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিতে হবে,যিনি এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার যোগ্যতা রাখেন। তিনি হলেন স্থানীয়,জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত সৎ-সজ্জন,পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব, দক্ষ রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ও নিঃস্বর্থ সমাজসেবক ব্যারিস্টার এম এ সালাম।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে আমাদের সিলেট-০৩ আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে পেলে, তিনি এলাকার মানুষের আকাঙ্খা পুরনের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতি ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। কেন আমরা তাকে এ এলাকার প্রতিনিধি হিসাবে দেখতে চাই, তাই একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও পর্যালোচনা নিচে তুলে ধরা হল।
প্রিয় এলাকাবাসী
ব্যারিস্টার এম এ সালাম বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টর একজন বিজ্ঞ আইনজীবী। পাশাপাশি সুদূর যুক্তরাজ্যে আইনপেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ও বিভিন্ন আইন,গবেষণা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে ঘনিষ্ঠবাবে তিনি জড়িত। ইন্টারন্যশনাল বার এসোসিয়েশন (আইবিএ), ক্রিমিনাল বার এসেসিয়েশন
ইংল্যান্ড এ্যান্ড ওয়েলস, ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউশন ফর স্ট্যাটিজিক স্ট্যাডিজ ইউকে ফরেন পলিসি এবং ইউনাইটেড ন্যাশনস্ এসোসিয়েশন অব অসিট্রয়া এর তিনি অন্যতম সদস্য। এবং মানবাধিকার সংগঠন ল’ইয়ার্স ভয়েস ইন্টারন্যাশনাল এর চেয়ারম্যান।
ব্যারিস্টার সালাম দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার ইউনিয়নের রায়বান গ্রামে ১৯৬৫
সালে এক শিক্ষিত,সম্ভ্রান্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব মাহমুদ মিয়া ছিলেন একজন নিরলস সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী এবং সালিশ বিচারেও স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব। তার মাতা মরহুম আলহাজ্ব মায়মুন নেছা একজন মহিয়ষী মহিলা ছিলেন। ভাইয়েরা প্রায় সকলেই উচ্চ শিক্ষিত এবং
দেশ-বিদেশে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।
এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সম্পৃক্ততার মধ্যে বেড়ে ওঠা ব্যারিস্টার সালাম প্রাথমিক ও মাধ্যমিক লেখাপড়া করেছেন দক্ষিণ সুরমার স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে। পরবর্তীতে সিলেট সরকারি কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে রাজনীতি বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রী অর্জন করেন। অতঃপর সিলেট দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রী কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন এবং পাশাপাশি সিলেট জেলা
জজকোর্টে আইন পেশায় যোগ দেন।
১৯৯৭ সাল ব্যারিস্টার সালাম উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডন গমন করেন। সেখানে তিনি ইস্ট লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে কৃতিত্বের সাথে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রী, লন্ডন সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন পেশায় উচ্চতর পিজিডিপিএল ডিগ্রী এবং ঐতিহ্যবাহী অনার্যাবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার এট-ল’ ডিগ্রী অর্জন করেন। আইনের সর্বোচ্চ ডিগ্রী ব্যারিস্টার-এট-ল’ ডিগ্রী অর্জনের পর অত্যন্ত সুনামের সাথে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।
ব্যারিস্টার সালাম অত্যন্ত অল্প বয়সেই পারিবারিক অনুপ্রেরণায় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। তাঁর পিতা আলহাজ্ব মাহমুদ মিয়া সাহেব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির একজন তৃণমূল কর্মী হিসেবে গ্রাম সরকার প্রধান-এর প্রধান দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্যারিস্টার সালাম ১৯৭৯ সালে জালাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থা জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শহীদ রাষ্ট্র্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগ দেন। অতঃপর সিলেট সরকারি কলেজ, সিলেট জেলা ছাত্রদল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
’৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন বলিষ্ট ছাত্রনেতা। এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন শেষে তিনি সক্রিয় হন বিএনপি’র রাজনীতিতে। পরবর্তীতে সিলেট সদর থানা বিএনপি, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন জেলা জিয়া ফোরাম, আইনজীবি ফোরাম, জিয়া স্মৃতি সংসদ এর গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ –এর সাধারণ নির্বাচন থেকে শুরু কওে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে ব্যারিস্টার এম এ সালাম বিএনপি তথা বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থীর বিজয়ের লক্ষ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি আইন জারির মাধ্যমে বাংলাদেশে অবৈধ সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। তারা শুরুতেই বিএনপিকে দবংসের তৎপরতায় লিপ্ত হয়। ১/১১-এর কুশীলবরা বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবার এবং বিএনপির নেতাকর্মীদেও উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। ঠিক তখন ব্যারিস্টার সালাম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ১/১১-এর অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলেন। অগণতান্ত্রিক অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনেও তিনি সক্রিয় ভ’মিকা রাখেন।
এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং যুক্তরাজ্য
বিএনপি’কে সুসংগঠিত করেন। বর্তমানে ব্যারিস্টার এম এ সালাম বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। একই সাথে দেশ ও জাতির আগামী দিনের স্বপ্ন, দেশনায়ক তারেক
রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের অপশাসন থেকে দেশকে মুক্ত কের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগনের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিনি দেশ-বিদেশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট দলীয় কাজের পরিধি কোন নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ না রেখে নিজ এলাকা থেকে শুরু করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহত্তর আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়া এখন সময়ের দাবি।
৪
প্রিয় এলাকাবাসী
রাজনীতি এবং আইন পেশার পাশাপাশি ব্যারিস্টার সালাম একজন নিরলস সমাজকর্মী। এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে তিনি সর্বাই সচেষ্ট। দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন এবং অধ্যাপনাকালে কালেজের ভবন নির্মাণ ও সার্বিক উন্নয়নে তার রয়েছে অগ্রণী ভূমিকা। তিনি তার মাসিক বেতন পর্যন্ত
গরীব-মেধাবী ছাত্রদের বিলিয়ে দিতেও পিছপা হতেন না।
এছাড়াও এলাকায় কয়েকটি হাইস্কুলের তিনি অন্যতকম উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। নিজ এলাকায় মসজিদ-মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণসহ নিয়মিতভাবে এসবের পৃষ্ঠপোষকতায়ও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। শুধু তাই নয়, ব্যারিস্টার সালাম এলাকায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথেও নানাভাবে জড়িত থেকে ভ’মিকা রাখছেন। দুঃস্থ মানুষের কল্যাণে ২০১০ সালে তিনি গড়ে তুলেছেন ব্যারিস্টার সালাম ওয়েফেয়ার ফাউন্ডেশন।। যার মাধ্যমে বিগত ৮ বছর যাবত সাধ্যানুযায়ী এলাকায় গরীব-দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন।
একাকার ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নেও ব্যারিস্টার সালাম সর্বদাই ছিলেন সচেষ্ট। তিনি সিলেট জেলা বিভাগ বাস্তবায়ন পরিষদ, গণদাবী পরিষদ, সিলেট জেলা কলেজ শিক্ষক সমিতি, যুব সংগঠন ফেডারেশন, অফিসার্স ক্লাব বন্ধন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিপসা ইন্টারন্যাশনাল, ইন্স অফ কোর্টস, স্কুল অফ ল’ ব্যারিস্টার এলামনাই এসোসিয়েশন, ভিলেজ এডভান্সম্যান্ড এন্ড ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটি, সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আজীবন সদস্যসহ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন ও আছেন ।
৫
প্রিয় এলাকাবাসী
আমাদের লক্ষ্য, আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক পরিবর্তন সাধন করে নতুন আঙ্গিকে এ অঞ্চলে উন্নয়নে ত্বরান্বিত করে মানুষের দুঃখ-দারিদ্রতাকে জয় করা। তাই আমাদের প্রয়োজন তৃণমূল থেকে উঠে আসা এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুখেঃর সাথে বেড়ে ওঠা ব্যারিস্টার সালামের মত তরুণ, নিরলস, কর্মঠ, একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বেকে আগামী দিনে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগে সৃষ্টি করা। আমরা বিশ্বাস করি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে ভূমিকা রাখবেন ও সিলেট-৩ আসনের প্রতিনিধিত্ব করতে ব্যারিস্টার সালাম একজন যোগ্য, মেধাবী ও দক্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। নিজ নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৩ আসনের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নকে ঘীরেই তার সকল স্বপ্ন বিনির্মিত।
এলাকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, এলাকায় শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত ও সবার জন্য মৌলিক উন্নত স্বাস্থ্যসেবার মধ্যদিয়ে একটি সুন্দর এলাকা গড়ে তুলাকে নিজের রাজনৈতিক ভিশন হিসেবে নিয়েছেন ব্যারিস্টার সালাম। তাঁর সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সফলতার জন্য আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং দেশ ও জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে দলের কেন্দ্রীয় যখন যে আন্দোলনের ডাক দিবেন, তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের জনগনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
৬
সম্মানীত এলাকাবাসী
আজ সময় এসেছে তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে, সিলেট-৩ আসনকে বিশ্বসভায় গর্বের সাথে উপস্থাপনের। প্রতিযোগীতার বিশ্বে তারুণ্যেও হাতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ঝাণ্ডা তুলে দিতে। সময় এসেছে দেশনায়ক তারেক রহমানকে বীরোচিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনার পথ সুগম করার, আওয়াগী দুঃশাসনের বেড়াজাল
ছিন্ন করে বিজয় ছিনিয়ে আনার। সময় এসেছে সিলেটের কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন গুমকৃত নেতা এম ইলিয়াস আলী, দিনারসহ সকল নেতাকর্মীকে উদ্ধার করে জনতার মাঝে ফিরিয়ে আনার। সময় এসেছে মাঠে, ঘাটে, পথে, প্রান্তরে ব্যারিস্টার সালামের মতো তরুণ নেতার বিচরণের পথ সুগম করে নবীন-প্রবীনদের সমন্বয়ে সিলেটের প্রবেশদ্বার ছোঁয়ায় গড়ে তুলার। তরুন সমাজই আমাদের সম্বল, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর এখনই সময়। তাই পশ্চাদমুখী রাজনীতি পরিহার করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
৭
প্রিয় এলাকাবাসী
আসুন, আমরা সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এমন একজনকে পাওয়ার চেষ্টা করি, যিনি গনমানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্খা বাস্তাবায়নে ভূমিকা রাখতে ও সিলেট-৩ আসনকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবেন।
সেই আকাঙ্খা বাস্তবায়নে ব্যারিস্টার সালামের হাতে দেখতে চাই ধানের শীষ প্রতীকের ঝাগুা। এজন্য আপনার, আমার সকলের একান্তিক সহযোগিতা ও দোয়া কাম্য। আসছে আগামীর স্বপ্ন বাস্তাবায়নে ব্যারিস্টার সালাম জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন- এটাই হোক আমাদের সার্বজনিন প্রত্যাশা।