আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারাভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে স্টেজে বসা অবস্থায় দেখা যায়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে।
দলীয় প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আলিয়া মাদরাসা মাঠসহ ও আশেপাশের এলাকা বিএনপির নেতা-কর্মীদের লাগানো ব্যানার, বিলবোর্ড, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। ইতোমধ্যে মিছিলে-স্লোগানে মুখরিত জনসভাস্থল।
বৃহস্পতিবার জনসভা হলেও গতকাল বুধবার রাত থেকেই জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সকাল থেকেই নেতা-কর্মীদের চাপ বাড়তে শুরু করে। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন সিলেট ও সুনামগঞ্জের দলীয় নেতা-কর্মীরা। সিলেটের সবকটি প্রবেশ মুখ দিয়ে নগরীতে দলে দলে প্রবেশ করছেন তারা। প্রতিটি মিছিল এসে শেষ হচ্ছে জনসভাস্থল আলিয়া মাদরাসা মাঠে।
সকাল ৮টার মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় জনসভাস্থল।
তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বাবার বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে। সেই হিসেবে তারেক রহমান সিলেটে জামাই ও সিলেটের দুলাভাই হিসেবে বেশি খ্যাত। ইতোমধ্যে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে গেছে তার এই পরিচয়। সিলেটে মাটিতে পা রাখার পরই চারপাশ থেকে তিনি শুধু দুলাভাই ডাক শুনছেন। তাই দীর্ঘ ২১ বছর পর সিলেটে আসায় শ্বশুরবাড়ির মানুষের আদর আপ্যায়নও বেশি পাচ্ছেন। তার আগমনে উৎসবের আমেজে সেজেছে সিলেট নগরী ও জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি ‘রাহাত মঞ্জিল’।
শ্বশুরবাড়িতে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নে করা হয়েছে সাজসজ্জা। ‘দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ লেখা ফেস্টুন ও নানা ব্যানারে সাজানো হয়েছে পুরো এলাকা। সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) মাজার জিয়ারতের পর শ্বশুরবাড়ি দক্ষিণসুরমার সিলামে যান তারেক রহমান। মধ্যরাতে শত শত নারী-পুরুষ তারেক রহমানকে বরণ করেন। দীর্ঘদিন পর জামাইয়ের আগমন উপলক্ষে দোয়া ও আপ্যায়নের আয়োজন করা হয়। রান্না করা হচ্ছে ৪০ হাঁড়ি আখনি। বিশেষ দোয়ারও আয়োজন করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দোয়া শেষ রান্না করা ৪০ হাঁড়ি আখনি বিতরণ করা হয় প্রায় ১২ হাজার মানুষের মধ্যে।