মহামারী করোনাকালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত। এসময়কালে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি আইন মেনে ঘরবন্দী ঈদ পালনের আহবান জানানো হয়েছে সরকারের সর্বমহল থেকে।
কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদূর্ভাব মাথায় নিয়ে সিলেটে বাইরে বের হয়েছেন নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষজন।
ঈদুল ফিতর এর দিনে (শুক্রবার (১৪মে) বিকেলে সিলেটে চা বাগান এলাকাসহ বিভিন্ন স্পটে দেখা গেছে মানুষজনের উপচেপড়া ভীড়।
এসময় বেশিরভাগের মুখে ছিলো না মাস্ক। ছিলো না সামাজিক দূরত্ব।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের দিনে মানুষ নামাজ আদায় করে ঘুরতে বের হয়। বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপচেপড়া ভিড় থাকে। প্রতিবছর এমনটাই হয় দেশের সব স্থানে। তবে গত বছর ঈদের দিনে মানুষের চলাচল ছিল কম। কিন্তু এবারের চিত্র একেবারই আলাদা।
বিনোদনকেন্দ্র ছাড়াও মানুষ ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্রসহ সিলেট নগরীর বিভিন্ন আকর্ষনীয় স্থানে। তবে এক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি।
করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঈদ পালনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। ঈদের দিন সকাল থেকে সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হচ্ছে। বিকেলে সিলেট নগরীর অনেক এলাকায় বৃষ্টি হয়। বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তারপরও বৃষ্টির বিরতিতে মানুষ ঘুরে বেড়িয়েছেন এদিক-ওদিক।
করোনার বিধিনিষেধে বন্ধ সিলেট নগরীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে সাধারণ মানুষ, শিশু-কিশোরেরা ঘর থেকে বের হয়েছে। ফাঁকা রাস্তাঘাটে মানুষ যে যার মতো করে ঘুরছেন। অনেকে পরিবার নিয়ে রিকশায় করে ঘুরছেন কোলাহলমুক্ত নগরীতে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় বিকল্প হিসেবে অনেকে বেছে নিয়েছেন সুরমা নদীর তীর ও কাজীরবাজার সেতুকে। অনেকে দল বেঁধে গিয়েছেন সিলেট শহরতলীর বিভিন্ন চা বাগান, বাইশটিলা, বিমানবন্দর সড়ক এলাকায়। সেখানে একটু ঘোরাঘুরি এবং ছবি তুলে ঈদের স্বাদ কিছুটা উপভোগের চেষ্টা করছে নগরবাসী। এসব জায়গায় দুপুরের পর থেকে ভিড় ছিল লক্ষণীয়।