৫৪টি বসন্ত পেরিয়ে ৫৫-তে পা রেখেছেন আব্দুর রহমান জামিল। আজ ০৮ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মবার্ষিকী।
প্রিয় এই মানুষটির জন্মদিন উপলক্ষে সহকর্মী-সহযোদ্ধা, আত্মীয়-স্বজন, প্রিয়জন, অনুরাগীদের ’হ্যাপী বার্থ ডে’র শুভেচ্ছা বার্তায় ভরপুর হয়ে গেছে তাঁর ফেসবুক আইডির টাইমলাইন।
আব্দুর রহমান জামিল ১৯৬৭ সালের এই দিনে সিলেট নগরীর রায়নগর সোনারপাড়াস্থ রাসোস-৩১ নম্বর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পিতার নাম মরহুম জনাব মো. আব্দুল বাছিত এবং মায়ের নাম জনাবা দিলারা বেগম।
ছাত্রজীবন থেকে তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। সেসময় থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হন।
আব্দুর রহমান জামিল একাধারে একজন সফল ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সমাজ হিতৈষী, পরোপকারী।
বৈবাহিক জীবনে দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক তিনি। ছেলে-মেয়ে তিনজনই প্রখর মেধাবী। একমাত্র ছেলে আরশাদ রহমান নাঈম ৫ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে।
সময়ের বিবর্তনে, কালের পরিক্রমায় আব্দুর রহমান জামিলের ব্যক্তি জীবনে লেগেছে সুন্নতে রাসূলের অপূর্ব ছোঁয়া। সম্প্রতি দাঁড়ি রাখার কারণে চেহার অবয়বে আসতে শুরু করেছে এক সুন্নতি ঝিলিক। পারিবারিক জীবনে তিনি এখন নানাও হয়েছেন।
বাংলাদেশের স্বপ্ননায়ক, স্বাধীনতার পুরোদা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। তিনি সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনার দায়িত্বে দ্বিতীয়বারের মতো বর্তমান কমিটিতে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সেক্রেটারি, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সেই মহামারীর প্রাক্কালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় দলের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্টের মাধ্যমে অসহায়-ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু বরাদ্দ শেষ হলেও থেমে থাকেন নি তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে, স্বজন-বন্ধুদের মাধ্যমে চালিয়ে গেছেন তার কর্মতৎপরতা।
সবচেয়ে ভালোদিকটা আমার চেয়ে সিলেটের অনেক পুরনো গণমাধ্যম কর্মীরাই ভালো জানেন। আপনজন, কাছের জনদের লাইনে দাঁড়িয়ে এসব খাদ্যসামগ্রী গ্রহণের পক্ষে তিনি কখনো ছিলেন না, আজো নেই। তিনি স্ব-উদ্যোগে তাদের বাসা-বাড়িতে রাতের আঁধারে চুপিচুপি গমণ করে দিয়ে আসেন। কেউই ঠের পায় না।
আনন্দ তো সেখানেই যখন নিজেদের মানুষদের নিকট গিয়ে দিয়ে আসা যায়।
রেড ক্রিসেন্টের পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আসছেন তিনি। সিলেটের সকল উপজেলায় ত্রাণ সামগ্রীসহ সুরক্ষা সামগ্রী নিয়ে টিম ওয়ার্ক কাজ করা। করোনাকালের রমজান মাসে রান্না করা ইফতার বিতরণসহ নানবিদ কর্মকান্ড হয়েছে।
এভাবেই দ্বিতীয় ঢেউ চলে। পরে করোনার উর্ধ্বমূখী সংক্রমণকালেও নিজের ও পরিবারের কথা চিন্তা না করে নিরবে রাতের আঁধারে তিনি মধ্যবিত্ত বিভিন্ন পেশার মানুষজনের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে।
তিনি ফটোসেশনে বিশ্বাসী নয়। যে ফটোসেশনের ভয়ে অনেক লোক নিজের ক্ষুদার কথা ভুলে গিয়ে দুরে থাকে সেই ফটোসেশন তথা লোকদেখানোতে কোনো স্বার্থকতা নেই বলে তিনি মনে করেন।
জন্মদিনের এই শুভক্ষণে একটাই কামনা। বেঁচে থাকুন আপনি। দীর্ঘজীবী হোন। শুভ জন্মদিন