জীবনযাত্রা বার্তা:: অটাল সম্পত্তি, কিংবা গাড়ি-বাড়ি, ব্যাংক-ব্যালেন্স কখনোই সুখ দিতে পারে না।
দাম্পত্যজীবনে সুখ নেই। স্বামী-স্ত্রী একে-অপরের সাথে মনোমালিন্য থেকেই থাকে দিনের পর দিন।
কেউ কাউকে বুঝতে রাজি না, বুঝার চেষ্ঠা নেই। কে না চায় সম্পর্কটা টেকসই হোক। হোক মধুর থেকে মধুরতায় ভরপুর৷ কিন্তু কেন হয়ে উঠে না। কেন ঝামেলা বাড়ছে। কেন বাড়ছে বিচ্ছেদ। কেনই বা অশান্তির দাবানলে পুড়ছে আমার, আপনার, আমাদের ঘর?
ভেবেছেন কখনো? হেয় প্রতিপন্নতা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা, পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এর অভাব কি কখনো মেপেছেন?
কথা বা মতপ্রকাশের সুযোগটুকু দিয়েছেন? তারপরও চাচ্ছেন-মধুময় হোক পবিত্র এই বন্ধন।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মধুর করতে হলে-
√উভয়কে দায়িত্বশীল হতে হবে।
√পরস্পরের প্রতি অগাধ ভালবাসা থাকতে হবে।
√ sorry বা দু:খিত বলার মন মানসিকতা থাকতে হবে। দাম্পত্য জীবনে ছোটখাটো ভুল বুঝাবুঝি, ঝগড়াঝাটি হওয়াটা স্বাভাবিক। তাই নিজেরদের সমস্যা নিজেরাই মিটমাট করে নেয়াই ভাল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তা শেয়ার না করাই ভাল।
√একে-অপরকে কনসিডার বা ছাড় দেয়া।
√ কম্প্রোমাইজ বা সমঝোতা। দাম্পত্য জীবনে এটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ স্ত্রীর উপর যেভাবে স্বামীর হক আছে সেভাবে স্বামীর উপরও রয়েছে স্ত্রীর হক।
√Understanding বা একে অপরকে বুঝে নিতে হবে। শরীয়ত সম্মত বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।
√ Supporting বা সহমত৷ পরস্পরের মাঝে শারীরিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে সহমতের মনোভাব থাকতে হবে।
√ স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের শরিয়ত সম্মত চাহিদাকে সম্মান করতে হবে। পরস্পর একে অপরের স্ট্যাটাসকে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।