সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী এলাকা নেই, বরং তাদের নির্বাচনী এলাকা বা কর্মপরিধি হচ্ছে সমগ্র বাংলাদেশ।
সংবিধান অনুযায়ী তারা দেশের যেকোনো স্থানে তাদের বরাদ্দ বণ্টন ও সংসদীয় দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ একথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
বিরোধীদলীয় সদস্যের বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য এবং ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য নিয়ে গঠিত।
৩০০ আসনের সদস্যদের ক্ষেত্রে সীমানা নির্ধারণ আইন বা ডিলিমিটেশন অ্যাক্ট প্রযোজ্য হলেও সংরক্ষিত নারী সদস্যদের জন্য তা প্রযোজ্য নয়। তাদের নির্বাচনী এলাকা হচ্ছে সমগ্র বাংলাদেশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য যদি নিজেকে নির্দিষ্ট কোনো এলাকায় সীমাবদ্ধ করে ফেলেন, তবে তা মোটেও সঠিক নয়। তারা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য নির্বাচিত। আইন অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে তারা যে সরকারি বরাদ্দ পান, তা বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে খরচ করার পূর্ণ স্বাধীনতা তাদের রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘অতিরিক্ত দায়িত্ব’ হিসেবে দেখার সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। সংরক্ষিত আসনের এমপিরা দেশের যেকোনো অঞ্চলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন এবং এটি কোনোভাবেই একদলীয় শাসনের ইঙ্গিত নয় বরং সংসদীয় কাঠামোরই অংশ।