নিজামুল হক লিটন:: মহামারী করোনায়ও থেমে নেই সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা কোম্পানীগঞ্জের খাগাইলের মাদকের হাট। রাতে-বিরাতে মাদকদ্রব্য আসে, হয় সেবন। কেনাবেচাও চলে।
অভিযোগ উঠেছে, সিলেটের নামধারী কতিপয় নেতাদের অদৃশ্য মদদে এই খাগাইলে গড়ে উঠেছে মাদকের হাট।
এই এলাকায় ফেনসিডিল-ইয়াবার ছড়াছড়ি স্হায়ী বাসিন্দাদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে মাঠে নামে সিলেটের বার্তা টুয়েন্টি ফোর ডটকমের এই প্রতিবেদক।
সালুটির এলাকার খলিলের দোকানের পরিচালক খলিলই এসব মাদক সেবনকারীদের প্রধান সোর্স। খলিলই তাদের পুলিশ-সাংবাদিকদের গতিবিধি লক্ষ্য করে তাদের গোপনে খবর দেয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলেটের কিছু মাদক সম্রাটরা, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি আর লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে চলেছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকার খাগাইল নামক স্থান ও এর আশপাশের এলাকার অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মরণনেশার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে রাজি নয়, কারণ তাদের রয়েছে বড় বড় নেতা ও পুলিশের হাত। মাসিক বখরা দিয়েই তারা মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফোনসিডিল ও ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বাবুল ও আখতারকে কিছুদিন আগে সালুটিকর পুলিশ ফাঁড়ি আটক করে। এরপর থেকে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে।
বাবুল ও হারিস জেলে থাকার কারণে তাদের বাহিনী দিয়ে ফেনসিডিল সেবনকারীরা দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে মরণনেশায় টান।
করোনাভাইরাস আসার, সাথে সাথেই, সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে
ভারত থেকে এসব মাদক আসছে না। সিলেট নগরীতেও এখন চলছে ইয়াবার ছড়াছড়ি। যুবসমাজ দিনদিন ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে।
সালুটিকর পুলিশ ফাঁড়ি এএসআই মহিউদ্দিন সেলিম সিলেটের বার্তাকে বলেন, আমরা করোনাভাইরাস এর প্রাদূর্ভাবের পর থেকে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। যে কোনো দলের লোক হোক তাদের ছাড় দেয়া হবে না।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে সিলেটের পুলিশ সুপার এসপি ফরিদ উদ্দীনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
আরও পড়ুন-মাদকের হাট কোম্পানীগঞ্জের খাগাইল (পর্ব-১)