আজ রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এনকাউন্টারের হুমকী সাংবাদিক আরিফকে, চোখ বেঁধে নেয়া হয় স্বাক্ষর (ভিডিও)

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ১৫, ২০২০, ০৪:৩০ অপরাহ্ণ
এনকাউন্টারের হুমকী সাংবাদিক আরিফকে, চোখ বেঁধে নেয়া হয় স্বাক্ষর (ভিডিও)

সাংবাদিক আরিফ। ছবি-সংগৃহীত

সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: এনকাউন্টারের হুমকী দেয়া হয় সাংবাদিক আরিফকে। এমনিক চোখ বেঁধে নেয়া হয় তার স্বাক্ষর।

মাদক মামলায় জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম। রোববার সকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে জামিন দেন।

এরপর দুপুরের দিকে তাকে কারাগার থেকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

এসময় হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে সাংবাদিকদের আরিফ বলেন, শুক্রবার মধ্যরাতে আমার ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আমাকে মারধর করা হয়। প্রথম আঘাত করেন আরডিসি (সহকারী কমিশনার, রাজস্ব) নাজিমুদ্দিন। এরপর আমাকে টেনে হেঁচড়ে বাইরে বের করে নিয়ে আসেন। এরপর মাইক্রোতে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আমার হাত ও চোখ বেঁধে ফেলা হয়।

‘এসময় আমাকে এনকাউন্টার দেয়া হবে বলে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। আমি অনেক অনুরোধ করার পরও আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিতে থাকেন মাইক্রোবাসের অন্যরা। তারা আমাকে বারবার কালেমা পড়ে নিতে বলছিলেন।’

আরিফ আরও বলেন, আমি অনেক আকুতি মিনতি করি। আল্লাহর ও আমার সন্তানের কসম দিয়ে তাদের কাছে প্রাণভিক্ষা চাই আমি। এরপরও তারা ক্ষ্যান্ত হচ্ছিলেন না। আমাকে বার বার বলছিলেন কালেমা কালেমা পড়ে নে। এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন আরডিসি।

তিনি বলেন, ‘এরপর সেই স্থান থেকে ঘুরিয়ে আমাকে ডিসি অফিসে নিয়ে আসা হয়। সেখানে অনেক কষ্টে বুঝতে পারি আমাকে ডিসি

অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। পরে সেখানে একটি রুমে নিয়ে আবার আমাকে গালি দিতে থাকেন আরডিসি নাজিমুদ্দিন। তারা আমাকে মারধর

করেন ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করেছেন।

সাংবাদিক আরিফ বলেন, সবশেষে আমার চোখবাঁধা অবস্থায় চারটি স্বাক্ষর করিয়েছেন। যেহেতু চোখ বাঁধা ছিল তাই কোথায় স্বাক্ষর করেছি আমি জানি না। এরপর তারা আমাকে কারাগারে রেখে আসেন। তারা যে আমাকে নির্যাতন করেছেন তার চিহ্ন আমার সারা শরীরে আছে।’

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১