আজ বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জুমাবারে সূরা কাহাফ তেলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফযিলত

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১, ২০২৩, ০২:০৯ অপরাহ্ণ
জুমাবারে সূরা কাহাফ তেলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফযিলত

জুমাবার। সপ্তাহের শ্রেষ্ট দিন। রয়েছে নানাবিদ ফযিলতে ভরপুর এই দিনটি। দিনটি সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহে রয়েছে অগণিত ফযিলত। তন্মধ্যে সূরা কাহাফ তেলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফযিলত।

১১০ আয়াত বিশিষ্ট সূরা কাহাফটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়। নিয়মিত সূরাটি তিলাওয়াতে অসংখ্য সওয়াবের কথা বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হলেও বিশেষত জুমার দিনে এ সূরা তিলাওয়াতের অনেক সওয়াব ও ফজিলত রয়েছে।

হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে তার জন্য এক জুমা থেকে অপর জুমা পর্যন্ত নূর হবে।

হজরত আনাস (রা.) বর্ণিত, এ পুর্ণাঙ্গ সূরাটি এক সঙ্গে নাজিল হয়েছে এবং এর সঙ্গে ৭০ হাজার ফিরিস্তা দুনিয়াতে আগমন করেছেন।

এ সূরায় আসহাবে কাহাফ তথা ওই সব মুমিন যুবক যারা দ্বীনকে সংরক্ষণের জন্য নিজেদের কোনো এক পাহাড়ের একটি গুহায় আত্মগোপনে রেখেছিলেন। তাদের ঘটনা বর্ণিত হওয়ায় এ সূরার নামকরণ করা হয়েছে সূরা কাহাফ।

আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যেমনভাবে নাজিল করা হয়েছে, সেভাবে যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পড়বে, তার জন্য সেটা নিজের স্থান থেকে মক্কা পর্যন্ত আলো হবে এবং যে শেষ দশ আয়াত পড়বে, সে দাজ্জালের গণ্ডির বাইরে থাকবে এবং দাজ্জাল তার ওপর কোনোরূপ প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। (সুনানে নাসাঈ, হাদিস নং : ১০৭২২)

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০