আজ শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড, শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ৬, ২০২৩, ০৩:১৬ অপরাহ্ণ
সিলেটে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড, শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা

তীব্র তাপদাহের পর গত বুধবার থেকে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়।

সিলেটের জন্য আগামী ২৪ ঘন্টায়ও কোনো সুখবর নেই। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে এ অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি, বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

শুক্রবার সকাল থেকে সিলেটের আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি। আগেরদিন শুরু হওয়া বৃষ্টি রাতে কিছুটা কমে এলেও সকাল থেকে আবারও চলে থেমে থেমে। দুপুরে নামে মুষলধারে। আজ সারাদিনই এরকম বৃষ্টি চলতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে বাংলাদেশের উত্তরপশ্চিমাংশ ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহে ৩৭৮ মিলিমিটার। এছাড়া ঢাকায় ৬৫, রাজশাহীতে ৮১, রংপুরে ১০, সিলেটে ৫১, চট্টগ্রামে ৫৫, খুলনায় ৫ এবং বরিশালে ২ মিলিমিটার করে হয়েছে। বেশি বৃষ্টি হওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে নেত্রকোনায় ৩৫১, নিকলিতে ৩১১, টাঙ্গাইলে ২৩০, ফরিদপুরে ২৩০, যশোরে ১১৯, বগুড়ায় ১৩৪, কুমারখালিতে ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সাগর ও নদী কিছুটা উত্তাল থাকায় দেশের চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর এবং নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফরিদপুর, ঢাকা, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, যশোর, কুষ্টিয়া এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০