৬ বলে ৫ রান দরকার। দাসুন শানাকার করা শেষ ওভারের প্রথম বলে ৪ মেরে ব্যবধানটাকে ১ রানে নামিয়ে আনলেন জাকের আলী। সেই ১ রান করতে আরও ৪ বল খেলতে হলো বাংলাদেশকে। দ্বিতীয় বলে বোল্ড জাকের। তৃতীয় বলে রান হয়নি।
চতুর্থ বলটি ছিল শর্ট, সেই বলে উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিলেন মেহেদী হাসান। অন্য প্রান্তে তখন শামীম হোসেন রাগে কাঁপছিলেন। পরের বলটায় নতুন ব্যাটসম্যান নাসুম আহমেদ শর্ট থার্ডম্যানে পাঠিয়েই ১ রান নিয়ে দলকে জিতিয়ে দিলেন। ১ বল ও ৪ উইকেট হাতে নিয়ে জিতে সুপার ফোর শুরু করল বাংলাদেশ।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার দেয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে টাইগাররা। তবে দলীয় ১ রানের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম কোনো রান না করেই বিদায় নেন। পরবর্তীতে সাময়িক সেই চাপ সামলে নেন সাইফ হাসান এবং লিটন দাস। একসময় ৫০ রানের জুটিও পার করেন এই দুই ব্যাটার।
তবে দলীয় ৬০ রানে লিটন ফিরে যান ব্যক্তিগত ২৩ রান করে। এরপর সাইফ একাই চার ছক্কার ইনিংস খেলতে থাকেন, তাকে সঙ্গ দেন তাওহীদ হৃদয়। একসময় সাইফ তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধ-শতক। তখন ব্যাট হাতে রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছিলেন হৃদয়। এরপর ৪৫ বলে ৬১ রান করে বিদায় নেন সাইফ।