খেলাধুলা বার্তা:: মাশরাফি বিন মর্তুজার মাঠে নামা নিয়ে দেখা দিয়েছে আবারো অনিশ্চয়তা।
আইসোলেশনে থাকায় হ্যামস্ট্রিংয়ের স্ক্যান করাতে দেড়ি হচ্ছে ফলে আসন্ন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
‘গ্রেড টু’ মাত্রার ইনজুরি হলে, টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে আর মাঠে নামা হবে না জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়কের।
গেল শনিবার বিসিবি’র পরিচালক জালাল ইউনুস বলেন, মাশরাফী বলেছে, সে আনফিট। ইনজুরির একটা ব্যাপার আছে। এই সময়ের মধ্যে সে যদি ফিট হয়ে যায়, যদি এসে রিপোর্ট করে যে সে ভালো আছে, তাহলে সে খেলবে।
বোঝা যায়, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার ইনজুরির মাত্রা সম্পর্কে এখনও পরিস্কার কোনো চিত্র নেই। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে তার থাকা-না থাকার প্রশ্নের উত্তরটা নির্ভর করছে যে স্ক্যানের ওপর, সেটা যে করানো হয়নি এখনও।
রানিংয়ের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ার পর থেকেই ঘরবন্দী তিনি। দুই সন্তান করোনা আক্রান্ত হওয়ায় থাকতে হচ্ছে আইসোলেশনে। বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ৮ থেকে ১০ নভেম্বরের আগে আর স্ক্যান করাতে পারছেন না জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবি’র এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা ওকে সামনাসামনি দেখতে পারছিনা। কোভিড পরিস্থিতির কারণে ওর স্ক্যান করা সম্ভব হচ্ছেনা। ৮ থেকে ১০ তারিখের আগে ওর বাসার কোয়ারেন্টিন শেষ হবে না। সে বের হতে পারছেনা। স্ক্যানও করতে পারছেনা। তবে, জাতীয় দলের ফিজিও’র সঙ্গে ওর ভিডিও কনফারেন্সে কথা হচ্ছে। কি ধরনের ব্যায়াম করবে, সেটা বলা হচ্ছে। ঐ হিসেবেই সে চলছে।
ভিডিও কনফারেন্সে দেখে মাশরাফীর ইনজুরির অবস্থা বোঝার চেষ্টা করছে বিসিবির মেডিকেল টিম। তবে যে মাত্রারই হোক, মাঠে ফিরতে যে কিছুটা সময় লাগবে, সেটা নিশ্চিত।
বিসিবি’র ওই কর্মকর্তা বলেন, হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির মাত্রা না জানলে, মাঠে ফিরতে কতোদিন লাগবে, সেটা বলা কঠিন। গ্রেড ওয়ান হলে একরকম, গ্রেড টু হলে আরেক রকম। আমরা গ্রেড ওয়ান হিসেবেই এগোচ্ছি। সেটা হলেও এক সপ্তাহ লেগে যাবে। স্ক্যান করলেও চিকিৎসা পদ্ধতি একই থাকবে। তবে, স্ক্যান হলে আমরা মাত্রা বুঝতে পারবো। বলতে পারবো যে, ফিট হতে কতদিন লাগবে। সব মিলিয়ে এখনও দুই থেকে তিন সপ্তাহ’র বিষয় রয়েছে।
তবে, মুশফিকুর রহিমের ব্যাপারে সুসংবাদই পাওয়া গেছে। প্রেসিডেন্টস কাপে কাঁধে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়লেও, এখন নাকি পুরোপুরি সুস্থই আছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।