আজ শনিবার, ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহলে থাকবে সেনাবাহিনী

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহলে থাকবে সেনাবাহিনী

সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাসদর। আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত ও আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই বাড়তি মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

নির্বাচনে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে-এর আগে কত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল এবং এবার কেন সংখ্যা বাড়ানো হলো-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে সর্বোচ্চ ৪০–৪২ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল।

এবার এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রধান কারণ হলো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা আগের নির্বাচনগুলোতে ছিল না। সে সময় সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করত। এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন-সে লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্য রেখে বাকি সবাইকে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার কাজে নিয়োগ দিয়েছেন।

মনজুর হোসেন বলেন, প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল হওয়ায় অসামরিক প্রশাসনের কাছে রিকুইজিশনের মাধ্যমে গাড়ি চাওয়া হয়েছে। তা পর্যাপ্ত না পাওয়ায় প্রয়োজনে গাড়ি ভাড়া করে হলেও সেনাসদস্যদের টহল কার্যক্রম নিশ্চিত করা হচ্ছে। ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সেনাসদস্যরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে টহল দিচ্ছেন। এই কার্যক্রম ২০ জানুয়ারি থেকে জোরদার করা হয়েছে।

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১