আজ বুধবার, ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বালু নেওয়াকে কেন্দ্র করে জগন্নাথপুরে সংঘর্ষ, আহত ১০

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ৫, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
বালু নেওয়াকে কেন্দ্র করে জগন্নাথপুরে সংঘর্ষ, আহত ১০

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা গ্রামে বালু নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইফতার পরবর্তী এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীধরপাশা গ্রামের সায়মন মিয়ার রাখা বালু তার অনুমতি না নিয়েই কামারখাল গ্রামের সাব্বীর মিয়া নিজের ট্রলি গাড়ি দিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় সায়মন মিয়া গত দুইদিন ধরে সাব্বীরকে খুঁজলেও তার দেখা পাননি। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইফতারের সময় সায়মন মিয়ার প্রতিবেশী এক বাড়িতে সাব্বীর মিয়া ইফতারের দাওয়াতে এলে সায়মন সেখানে গিয়ে বালুর বিষয়ে জানতে চান। এসময় উপস্থিত সিরাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি সায়মনকে গালাগালি করে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।

ইফতারের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ উঠেছে, সিরাজুল ইসলাম (৬০) ও সানোয়ার মিয়ার (৬২) নেতৃত্বে আসাব হোসেন (২৭), খুকন মিয়া (২৬), ও সিজিল মিয়া (৩২) সহ একদল সশস্ত্র ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সায়মন মিয়ার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীদের এই আক্রমণে সায়মন মিয়ার পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন।

আহতরা হলেন: ১. সায়মন (৩৫), পিতা- আজাদ মিয়া। ২. সামসুল (৬০), পিতা- ছুরত আলী। ৩. সালাতুল রহমান (৪৫), পিতা- আব্দুল চত্তার। ৪. মিজান (৪৫), পিতা- ভাগ মিয়া। ৫. মারুফ (২৫), পিতা- সামসুল।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

অভিযোগ উঠেছে, আহতরা যখন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, তখন সিরাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা সেখানেও তাদের ওপর দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এসময় হাসপাতালের চিকিৎসক ও উপস্থিত সাধারণ মানুষ এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সটকে পড়ে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মিজান ও তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর ইসলাম বলেন,সালিশের করার ব্যবস্থা চলছে এখনও মামলা হয়নি।

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০