আজ ,

জৈন্তাপুরে ডিবির হাওরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ৯, ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ণ
জৈন্তাপুরে ডিবির হাওরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮

চোরাচালান ও মানব পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জৈন্তাপুরে ডিবির হাওর (লাল শাপলা বিল) এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন, গুরুতর আহত আটজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ডিবির হাওরের লাল শাপলা বিলের ব্রিজ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, দু’পক্ষের মারামারির ঘটনায় একটি পক্ষের হারুন মিয়া বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন জৈন্তাপুর ইউনিয়নের কেন্দ্রি হাওর এলাকার মাসুক মিয়া (৪৫), হারুন মিয়া (৫৫), মানিক আহমদ (৪০), ফজলু মিয়া (৮০) ও রফিক আহমদ (৫০)। এ ছাড়া আহত বাকিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডিবির হাওর এলাকায় চোরাচালান ও মানব পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কদমখাল গ্রামের রিপন মিয়া এবং কেন্দ্রি হাওর গ্রামের মোস্তোকিন আলীর ছেলেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে লাল শাপলা বিলের ব্রিজ এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং পরে সংঘর্ষ বেধে যায়, যাতে বেশ কয়েকজন আহত হন।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর আহত আটজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্থানীয়দের দাবি, ডিবির হাওর সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে চোরাচালানসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করেই দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত বলে জানান তারা। তবে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে চোরাচালান ও মানব পাচারের অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা ঠিক কতটুকু, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমি ছুটিতে ছিলাম, বিস্তারিত জানি না। তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।