আজ শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

দরগাহ মাজারের এমন লাকড়ি তোড়া উৎসব আগে কেউ দেখে নি

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১৯, ২০২০, ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ
দরগাহ মাজারের এমন লাকড়ি তোড়া উৎসব আগে কেউ দেখে নি

নিজস্ব প্রতিবেদক:: ভক্তরা নেই। মাথায় লাল কাপড় অনুরক্তদের মিছিল নেই। পাড়া-মহল্লাসহ সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসে নি ট্রাক শোভাযাত্রা। মাজারে নেই ভক্তদের ভিড়। প্রায় ৭শ’ বছরের ইতিহাস বদলে দিল মহামারী করোনাভাইরাস।

একাবারেই ভিন্ন আবহে শুক্রবার (১৯ জুন) পালিত হলো সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) মাজারের লাকড়ি তোড়া উৎসব।এমন লাকড়ি তোড়া উৎসব এর আগে কেউ দেখে নি।

প্রতিবছর শাহজালাল (র.) মাজারে ওরসের আগে এ উৎসব পালন করা হয়। প্রতিবছরই এতে অসংখ্য ভক্ত অনুরাগী অংশ নেন। মাজার রথেকে দীর্ঘ মিছিল নিয়ে যাওয়া হয় লাক্কাতুড়া বাগানে। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষিতে এবার লোকসমাগম ছাড়াই কেবল রেওয়াজ রক্ষার জন্য এ উৎসব পালন করা হলো।

অন্যান্য বছর ভক্তদের উপস্থিতি বাড়াতে মাজার কমিটির পক্ষ থেকে আগে থেকেই প্রচারণা চালানো হলেও এবার কোনো প্রচারণা চালানো হয়নি। তবে কিছুসংখ্যক ভক্ত নিজ উদ্যোগেই বৃহস্পতিবার দুপুরে লাকড়ি নিয়ে মাজারে হাজির হন।

এ ব্যাপারে দরগাহে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের খাদেম সামুন মাহমুদ খান বলেন, ৭০০ বছর ধরে লাকড়ি তোড়া উৎসব পালন করছেন তার ভক্ত ও আশেকানরা। এবার এই রেওয়াজ ধরে রাখার জন্য আমরা খুবই সীমিত আকারে উৎসবটি পালন করেছি। আগে কোনো প্রচারণা চালাইনি। কাউকে দাওয়াত দেইনি। প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ মিলে মিছিল করে লাক্কাতুড়ায় লাকড়ি সংগ্রহে যান।

এবার তা করা হয়নি। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে একটি অটোরিকশায় করে কিছু একজন মাওলানাসহ তিনজন মানুষ দিয়ে কিছু শিরনি লাক্কাতুরায় পাঠিয়ে দিয়েছি। তারা সেখানে একটি মিলাদ করে শিরনি বিতরণ করে এসেছেন। লোকসমাগম এড়াতে আমি নিজেও সেখানে যাইনি। তবে কিছু মানুষ নিজেদের উদ্যোগেই লাকড়ি নিয়ে মাজারে হাজির হচ্ছেন। তাদেরকেও আমরা নিরুৎসাহিত করছি।

প্রতি বছর শাওয়াল মাসের ২৬ তারিখ হযরত শাহজালাল (রহ.) লাকড়িতোড়া উৎসব পালন করা হয়। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। তবে এ বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত পরিসরে এ উৎসব পালন করা হয়েছে।

সিলেটের বার্তা ডেস্ক


শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯