আজ রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে খোঁজ মিলছে না ৩৯৮ প্রবাসীর, কোয়ারেন্টিনে ১৭১

সিলেটের বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ২৩, ২০২০, ০৪:০৯ অপরাহ্ণ
হবিগঞ্জে খোঁজ মিলছে না ৩৯৮ প্রবাসীর, কোয়ারেন্টিনে ১৭১
শেয়ার করুন/Share it

সিলেটের বার্তা ডেস্ক:: বিদেশ থেকে আসা ৩৯৮ প্রবাসীর খোঁজ মিলছে না। বাড়িতেও নেই, কোয়ারেন্টিনেও নেই।

রীতিমতো এ বিষয় হবিগঞ্জের মানুষের মাঝে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা আর আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চলেছে।

জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় ১ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত বিদেশ থেকে এসেছেন ৫৬৯ জন।

তাদের মধ্যে মাত্র ১৭১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। বাকী ৩৯৮ জন কী অবস্থায় আছেন তা জানা নেই প্রশাসনের। তবে তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে বিদেশ ফেরতদের সন্ধান করা হচ্ছে। এছাড়া উপজেলার সব ইউপি সদস্যকে প্রধান করে একটি করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে উপজেলা কমিটির কাছে প্রবাসী অবস্থান সহ বিভিন্ন তথ্য প্রদান করবে।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশ্বজিত কুমার পাল এব্যাপারে বলেন, গত এক মাসে ৫৬৯ জন মানুষ বিদেশ থেকে নবীগঞ্জে আসলেও হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন মাত্র ১৭১ জন। আমাদের কাছে ৫৬৯ জন ব্যক্তির একটি তালিকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আমার গত ৭ই মার্চ থেকে যারা দেশে এসেছে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার ব্যাপারে জোর দিচ্ছি।যাদের পাসপোর্টে নবীগঞ্জের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে তারা সবাই নবীগঞ্জের ঠিকানা অবস্থান করছেন কিনা তা আমাদের জানা নেই। তালিকাটি সব ইউনিয়নে পাঠানো হয়েছে।

নবীগঞ্জে অবস্থান করলে সব বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে পর্যাবেক্ষণে আনতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। আবার অনেকেই যারা হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন বলে বলা হচ্ছে তারাও সঠিকভাবে নিয়ম মানছেন না। সংগত কারণে নবীগঞ্জে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই কাজের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য দিয়ে একটি করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ওয়ার্ডের বিদেশ ফেরত ব্যক্তির হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করবে। কোনো ব্যক্তি কমিটির নির্দেশনা না মানলে উপজেলা প্রশাসন তার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করবেন।

আরও পড়ুন:  সিলেটে করোনায় আরও ২ জনের প্রাণহানী

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালে ০৫টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। হাসাপাতালে রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনদের হাসপাতালে প্রবেশের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। করোনা সচেতনতার ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুর রহমান জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লুকিয়ে থাকা প্রবাসীদের সন্ধান করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, চলমান করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিদেশ ফেরত সব নাগরিককে ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে । অনেকে দেশে না এসে সিলেট সহ বিভিন্ন জায়গায় তথ্য গোপন করে পরিবারের সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছেন যে প্রবাসীদের খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে গতকাল রবিবার নিয়ম না মেনে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করায় নবীগঞ্জ উপজেলার কাজির বাজারের ময়মনা কমিউনিটি সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা ও উপজেলার গজনাইপুর গ্রামের ইংল্যান্ড প্রবাসীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সিলেটের বার্তা ডেস্ক


শেয়ার করুন/Share it
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১